হুমায়ূন আহমেদের 'অপেক্ষা' উপন্যাস | বুক রিভিউ | Opekkha by Humayun Ahmed | Book Review
'আমি এক কাজ করি আজ সকাল সকাল চলে আসি। তারপর কোন একটা স্টুডিওতে গিয়ে ইমনের একটা ছবি তুলে রাখি। বড় হয়ে দেখলে মজা পাবে।'
এটাই ছিলো ইমনের বাবার সাথে সুরাইয়ার শেষ কথা। টেলিফোনে এতটুকু কথা হওয়ার পরে সুরাইয়া অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকে। কিন্তু সুরাইয়ার প্রিয়তম জীবনসঙ্গী সেদিন রাতে আর ফেরেনি, এমনকি বহুবছর পরেও ফেরেনি। তবে সুরাইয়ার বিশ্বাস, তাদের ছেলে ইমনের যেদিন বিয়ে হবে সেদিন ইমনের বাবা হাসানুজ্জামান ফিরে আসবেন।
সত্যি ই কি তিনি ফিরে আসবেন?
সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিনই অসংখ্য নিখোঁজ সংবাদ ছাপা হয়। কেউ হয়তো নিজের হারিয়ে যাওয়া বাবার খোঁজ করছে, কেউ নিজের স্বামীর খোঁজ করছে আবার কেউ হয়তো নিজের সন্তানের খোঁজ করছে। কখনো কি ভেবে দেখেছেন এই নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর পরিবারের অবস্থা ঠিক কেমন থাকে? কতটা আতঙ্কের মধ্যে তারা দিন কাটান? তারা কি আজীবন নিজেদের হারিয়ে যাওয়া মানুষের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকেন?
এই প্রশ্নগুলো নিয়েই নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস 'অপেক্ষা'র গল্প গড়ে উঠেছে।
অপেক্ষা কি কখনো সুখকর হয়?বই পুস্তকে, প্রবাদ প্রবচনে আমরা যে পড়ে থাকি, 'অপেক্ষার ফল সুমিষ্ট হয়।'
বাস্তবে কি তাই হয়?
অপেক্ষা কখনো সুখ নিয়ে আসে, কখনো জীবনকেই করে তোলে অস্বাভাবিক।
'অপেক্ষা' উপন্যাসের দুটি পৃষ্ঠা উল্টাতে ই আপনার চোখে পড়বে চার চরণের একটি কবিতাংশ। আদতে এটি হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত গান।
' ঘর খুলিয়া বাইর হইয়া
জোছনা ধরতে যাই,
আমার হাত ভর্তি চাঁদের আলো
ধরতে গেলে নাই।'
চরণগুলো থেকে ই আপনি এই উপন্যাসের সমাপ্তি সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ পাবেন।
ইমনের বিয়ের রাতে ঘর খুলিয়া বাইর হইয়া সুরাইয়া কি তার প্রিয়তম স্বামীকে পেয়েছিলেন,নাকি পাননি!?
এ প্রশ্নের উত্তর নাহয় গল্পের ধারাবাহিকতায় ই বলবো।
(কাহিনী সম্পর্কে অবগত না হয়ে আপনি যদি উপন্যাসটি পড়তে চান, তবে এ অংশ আপনার জন্য নয়।)
পাঁচ সদস্যের একটি মধ্যবিত্ত পরিবার। চারজন স্থায়ী সদস্য, একজন খন্ডকালীন সদস্য ।
বলছিলাম,হাসানুজ্জামানের ছোট্ট সুখী পরিবারের কথা। হাসানুজ্জামান, তার স্ত্রী সুরাইয়া, পাঁচ বছরের ছোট শিশু ইমন, বেকার ছোট ভাই ফিরোজ ও মা আকলিমা বেগম।
আকলিমা বেগম গ্রামে থাকলেও বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় সে ছেলে বৌমার সাথে শহরে থাকেন।
ইমনের প্রতি সুরাইয়া খুবই সচেতন।দাদির কাছ থেকে ইমন নেত্রকোনার ভাষা শিখছে, এ বিষয়টাও সুরাইয়া মেনে নিতে পারছেন না।
এত সচেতন থাকার পরেও সুরাইয়ার একদিন সন্তানের উপর বিতৃষ্ণা চলে আসে। বস্তুত, তার এই জগৎ-সংসারের উপর ই বিতৃষ্ণা চলে আসে।
স্বামী হাসানুজ্জামান অফিস থেকে আসবেন,তাকে তার অজানা বিশেষ একটি সংবাদ দেয়ার জন্য সুরাইয়া অপেক্ষার প্রহর শুরু হয়। সুরাইয়া সন্তানসম্ভবা ছিলেন।
কিন্তু হাসানুজ্জামান আর ফিরে আসেননি। সুরাইয়ার অপেক্ষার প্রহরও শেষ হয়নি।
পৃথিবীর সমস্ত সৃষ্টি ও বিস্মৃতি কেবল ভালোবাসার চোখে অমরত্বের প্রত্যাশায় মরে যায় বারবার। আর বেঁচে থাকে শুধু অপেক্ষা।
সুরাইয়া মানসিকভাবে এত ই ভেঙে পড়েন যে ছোট্ট ইমনও তার কাছে বিরক্তির কারন হয়। এই সময়ে ছোট চাচার সাথে ইমনের বন্ডিং দেখে যে কেউ ছোট চাচার মতো একজনকে অভিভাবক হিসেবে পেতে চাইবে।
ছোট চাচা ছোটদের সাথে ঠিক ছোটদের মতো করে ই ট্রিট করেন। তিনি ইমনকে 'হার্ড নাট' বলে ডাকেন।
এর বিশেষ কারনও আছে।
ইমনের স্বভাব 'হার্ড নাট' অর্থাৎ শক্ত বাদামের সাথে একদম ই মিলে যায়।
গম্ভীর টাইপ শিশু ইমন। পুরোটা উপন্যাস জুড়ে ইমনে ম্যাচিউরিটি দেখে আমি অবাক হয়েছি।
ছোট চাচা গ্রামের জমি বিক্রি করে সংসারের হাল ধরেছিলেন।
কিন্তু সুরাইয়া সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি তার বড় ভাই জামিলুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে উঠবেন।সেখানে তাদেরকে একটা রুম দেয়া হবে।
উপন্যাসের এই পর্যায়ে নতুন একটি চরিত্রের আবির্ভাব ঘটে। একটি উপন্যাসের সার্থকতার সিংহভাগ নির্ভর করে চরিত্রবিন্যাসের ওপর। অপেক্ষা-তেও ঠিক তাই হয়েছে। ছোট্ট সুপ্রভার চরিত্রটিও এখানে অনেক চরিত্রের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।
সুপ্রভা, ইমনের নবাগত বোন, বাবা নিখোঁজের কয়েকমাস পরে যার জন্ম।
উপন্যাসের পরবর্তী ঘটনাচক্র এবার জামিলুর রহমানের বাড়িতে বিস্তৃতি লাভ করে।
ভাইয়ের বাড়িতে এসে সুরাইয়া নিজেকে আরও গন্ডিভূত করে ফেলেন এবং সেই গন্ডির পুরোটা জুড়ে শুধু ই 'অপেক্ষা'।
মানুষের জীবন কি চক্রের মত? চক্রের কোন শুরু নেই, শেষ নেই। মানব জীবনও কি তাই? রহস্যময় চক্রের ভেতর এই জীবন ঘুরপাক খেতে থাকে? শুরু নেই, শেষ নেই। চক্র ঘুরছে।এই চক্রের ভেতরে ঘুরপাক খেতে খেতে অপেক্ষা করে কেউ কেউ। কিংবা সকলেই কিসের অপেক্ষা?
ইমনের সাথে তার মামাতো দুই ভাই শোভন ও টোকনের সখ্যতা চোখে পড়ার মতো।
তবে সমবয়সী মামাতো বোন মিতু ইমনকে খুবই বিরক্ত করে। আবার ইমনের প্রতি মিতুর টানেরও সুস্পষ্ট লক্ষ্মণ উপন্যাসে লক্ষ্য করা যায়। এসব নাহয় উপন্যাসটি পড়ে ই জানবেন।
উপন্যাসের এ পর্যায়ে সুপ্রভার কার্যকলাপ আপনার খুবই ভালো লাগবে। সুপ্রভার সাথে সবার খুব ভালো সম্পর্ক। ভালো সম্পর্ক নাহয়ে উপায় আছে! মেয়েটা ই তো অমন!
তবে জামিলুর রহমানের সাথে সুপ্রভার সম্পর্কটা আপনাকে আবেগী করবে ই।
জামিলুর রহমান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তার ধ্যান জ্ঞান সব ই অর্থ উপার্জনের দিকে। একারনে পরিবারের সাথে তার দূরত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে যোজন-যোজন।
কর্তা শুধুমাত্র নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলে সেই পরিবারের গতিপথ ঠিক কতটা এলোমেলো হতে পারে তার বাস্তব প্রতিচ্ছবি ছিল জামিলুর রহমানের পরিবার।
শোভন-টোকনের বখে যাওয়া, স্ত্রী ফাতেমার সাথে তার দূরত্বের মাধ্যমে হুমায়ূন আহমেদ বিষয়টা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
এই পরিবারে জামিলুর রহমানের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ হলো ভাগ্নী সুপ্রভা। তিনি ভালোবাসা প্রকাশ করতে লজ্জা পান,বাঁধা কাজ করে।
কিন্তু সুপ্রভার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ সুস্পষ্ট।
সুপ্রভা কোক খেতে ভালোবাসে বলে জামিলুর রহমান তার অফিসে ফ্রিজ কিনে সব সময় কোকোর ক্যান সংরক্ষণ করে রাখেন।
একবার সুপ্রভা গলার চেইন হারিয়ে ফেলায় মা খুব বকবে বলে যখন মন খারাপ করে তখন তার মামা জামিলুর রহমান সারা বাজার ঘুরে ঠিক একইরকম একটি চেইন এনে দেয়।
সুপ্রভা স্কুল পরীক্ষায় ফেল করে। সে তার ভাইয়ের ঠিক উল্টো। উপন্যাসে ইমনকে অধিকাংশ সময় ই বইয়ে মুখ গুজে থাকতে দেখা যায় এবং খুবই মেধাবী একজন ছাত্র।
পড়াশোনা ইমনের বিশেষ পছন্দের ছিলো না, কিন্তু তার দুনিয়া অন্য কোনো কিছুতে সাজানোর উপায় ছিলো না বলে সে পড়াশোনাকে ই আকড়ে ধরেছে।
সুপ্রভার ফেল করার কথা সুরাইয়া জানতে পারলে সে নিস্তার পাবে না। এজন্য সুপ্রভা তার মামার কাছে বিষয়টা বলে। মামা স্কুলে ৫০ হাজার টাকা ডোনেশন দেয়ার কথা চিন্তা করেন এবং এতে করে সুপ্রভাকেও প্রোমোশন দিয়ে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করা হবে।
যেমন ভাবনা তেমন কাজ। সুপ্রভাকে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণও করা হয়।
কিন্তু..............
কিন্তু কি!?
এই প্রসঙ্গটাতে আমি একটু বাদে আসবো। গল্পের এই অংশে অধিকাংশ পাঠক ই বিমর্ষ হয়েছেন,কেঁদেছেন।
আপনি উপন্যাসটি পড়াকালীন সময়েও এই অংশে এসে দুঃখভারাক্রান্ত হতে বাধ্য হবেন।
সুরাইয়ার অপেক্ষার প্রহর এখনও শেষ হয়নি। এক পীরের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, ইমনের যেদিন বিয়ে হবে সেদিন তার স্বামী ফিরে আসবেন।
সুরাইয়া যেন একজন আদর্শ স্ত্রী। বড় ভাই বিভিন্ন জায়গা থেকে বিয়ের প্রস্তাব আনলেও তিনি তার স্বামীর কথা ভেবে সব প্রত্যাহার করেন।
আজও তার স্বামীর জন্য অপেক্ষা।
এই উপন্যাসের এক জায়গায় লেখক বলেছেন, ‘মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপেক্ষা নামের ব্যাপারটি খুব প্রয়োজন। অপেক্ষা হচ্ছে মানুষের বেঁচে থাকার টনিক।’
তিনি একজন আদর্শ স্ত্রী হলেও আদর্শ মা ছিলেন না। কারন সন্তানদের সাথে তার দূরত্ব ছিলো যোজন-যোজন।
তবে মানসিক ভারসাম্যহীন কাউকে দোষ দেয়া যায় না।
তার উপর রাগ করা যায় না, তার কথা-কাজ ধরে থাকা যায় না। ইমন -সুপ্রভা তাকে বুঝতো।
-কিন্তু কি!?
এটার উত্তর আমি এখন দেই।
উপন্যাসের এই অংশটাতে এসে আপনি থমকে যাবেন।
ছোট সুপ্রভাকে যখন মা বললো তুই মরতে পারিস না! ছাদে গিয়ে লাফ দে।সুপ্রভা তাই করলো,মনে হচ্ছিলো বারবার বলি এই ভুলটা করো না!কিন্তু সেই ছোট্ট সুপ্রভা তাই করলো।উপন্যাস থেকে বিদায় দেওয়া হলো সুপ্রভার চরিত্র।
- ছোট্ট সুপ্রভা। তোমার প্রসঙ্গ অপেক্ষা উপন্যাসে আর আসবে না।কারন তোমার জন্য কেউ অপেক্ষা করে থাকবে না।মৃত মানুষের জন্য আমরা অপেক্ষা করি না।আমাদের সমস্ত অপেক্ষা জীবিতদের জন্য।এই চরম সত্যটা না জেনেই তুমি হারিয়ে গেলে।
ইমন হাসপাতালের করিডোরে বসে ছিলো।মিতু এসে বললো চিৎকার করে কাঁদ,কে কি মনে করবে এসব ভাবার দরকার নেই।ইমন চিৎকার করে কাদঁলো।
অভিমানী ছোট্ট মেয়েটি জানলো না -এই পৃথিবীতে তার জন্য কত ভালোবাসাই না জমা ছিলো।
সুপ্রভাকে প্রোমোশন ঠিক ই দেয়া হয়েছিলো,কিন্তু জামিলুর রহমানের বাড়িতে আসতে বেশ দেরি হয়ে গিয়েছিলো। জামিলুর রহমান মিষ্টি নিয়ে হাজির হন।
ততক্ষণে সুপ্রভা মায়ের হাতে ধরা খায়।
মা রেগে গিয়ে তাকে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে মরতে বলায়, অভিমানী মেয়ে সুপ্রভাও সেটাই করে।
ইমন খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলো। সে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। রেজাল্ট এত ই ভালো যে সে হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ই থেকে যাবে। কিন্তু ছোট বোনের মৃত্যুর পরে সে আর পরীক্ষা দেয়নি, পড়াশোনাতে তার আর মন বসতো না।
এমন সময় বখে যাওয়া, খুনের দায়ে জেল খাটা মামাতো ভাইদের সাথে মিশে ইমনও বখে যেতে শুরু করে।
প্রতিটা খারাপ সময়ে সে তার ছোট চাচার কথা স্মরণ করতো। ছোট চাচা এখন একজন প্রবাসী।
ভাইয়ের সংসারে সুরাইয়া বাড়তি বোঝার মতো ছিলো। ভাইয়ের বউ ফাতেমার চরিত্রে তা বহুবার প্রকাশ পেয়েছে।
অবশেষে, ভাইয়ের বাড়ি ছাড়ার পালা।
সুরাইয়া আর ইমন একটি আলাদা ফ্লাট নেয়। অতঃপর তাদের সেই আগের ফ্লাটটা ভাড়া নেয়,যেখানে থাকাকালীন ইমনের বাবা নিখোঁজ হন।
বাসাটাকে তিনি ঠিক আগের মতো করে সাজান, কারন তার বিশ্বাস ইমনের বাবা ফিরবেন।
কিন্তু ইতোমধ্যে ১৬-১৭ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।
ইমনের মামাতো বোন মিতু ইমনকে খুব পছন্দ করতো। কিন্তু ইমনের এসবে কিছু যায়-আসে না।
ইমন রোবোটিক টাইপ।
তবুও ইমনের প্রতি মিতুর অগাধ ভালোবাসা ও ইমনের একজন গাইডের দরকার ভেবে মিতু তার ঠিক হওয়া বিয়ে ভেঙে দেয়।
এবং জামিলুর রহমানকে রাজি করিয়ে ইমনের সাথে বিবাহ সম্পন্ন করে।
গল্পের একদম শেষ দিকে আমরা ইতোমধ্যে চলে এসেছি।
ইমন-মিতু বাসরঘরে।
আজ তাদের বিয়ের দিন।
সুরাইয়ার তো এই দিনের ই অপেক্ষা!
এত বছরের অপেক্ষা, আজ তার প্রিয়তম স্বামী আসবেন!
আসলে ই কি এসেছিলেন?
সুরাইয়া অপেক্ষা করছেন।
হঠাৎ অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটলো। কলিং বেল বাজলো।
মানুষটা কি এসেছে? নাকি তিনি ভুল শুনছেন!
ভুল না, কলিং বেল আবারও বাজলো,বেজে চলেছে।
তিনি তাকিয়ে আছেন উঠোনের দিকে। শুক্লপক্ষ বলে উঠোনে চাঁদের আলো এসে পড়েছে।
কে এসেছে? কে?
উপন্যাসের সমাপ্তি এখানে ই।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস গুলোর সমাপ্তি থাকে না। লেখক এমন জায়গায় এসে লেখা বন্ধ করেন যেখান থেকে পাঠক তার নিজের মতো করে সমাপ্তি কল্পনা করে নিতে পারেন।
'অপেক্ষা' উপন্যাসেও লেখক সমাপ্তিটা পাঠকের উপর ছেড়ে দিয়েছেন।
সত্যি ই কি হাসানুজ্জামান এসেছিলেন!?
সুরাইয়ার অপেক্ষার প্রহর কি শেষ হয়েছিলো!?
~এস.এম. বায়েজীদ আহমেদ
সাহিত্য বিষয়ক পোস্ট পেতে যুক্ত হতে পারেন- বইপ্রেমীর বারান্দা
সাহিত্য বিষয়ক পোস্ট পেতে যুক্ত হতে পারেন- বইপ্রেমীর বারান্দা

চমৎকার একটি জীবনমুখী উপন্যাস যা শেষ অবধি পাঠককে ধরে রাখে।"শেষ হইয়াও যেন হইলো না শেষ" - এই উপন্যাসটি তাঁর উদাহরণ
উত্তরমুছুন❣️❣️❣️
অসাধারণ লেখনী। চালিয়ে যান।
উত্তরমুছুনআপনার জন্য শুভকামনা।
উত্তরমুছুনআপনার লেখার ধরন খুবই গোছানো এবং রুচিশীল ভাষা সম্মিলিত।